তুমি একদিন একটা অর্ধনগ্ন ভিখারিকে দেখার পর নিজের চাদরটা খুলে দিয়েছিলে। চাদরটা তোমার পছন্দের ছিল খুব। তুমি একদিন বৃষ্টিতে শহরের সব থেকে সুন্দর ছাদে বসে কবিতা বুনেছিলে; কবিতাটা খাঁটি ছিল খুব।
একদিন রিকশা ওয়ালাকে ভাড়া দেবার সময় রিকশাওয়ালার গা থেকে আধা লিটার ঘাম ঝড়তে দেখে তুমি তাকে বাসায় নিয়ে বসিয়ে দুটা ভাত খাইয়েছো।
এইসব গল্প কাছের মানুষটাকে বলতে তোমার ভাল লাগে। মানুষটা এইসব শুনে তোমাকে নিয়ে মনে মনে এক ধরনের অহংবোধও করে। তোমার অবচেতন মন তোমাকে দিয়ে এই কাজ গুলো করিয়ে নেয়। এই মনটা সব সময় চায় সবাই তোমাকে অন্যরকম কিছু একটা ভাবুক। তোমার ভেতরে একটা শান্তি শান্তি ভাব হয়।
তোমার জীবনে খুব বিচ্ছিরী কিছু স্মৃতিও আছে। তুমি অনেক বছর আগে একদিন দরজার ফাঁক দিয়ে লুকিয়ে কোন ললনাকে দেখে কামনা করেছিলে। তুমি একদিন খুব বিশ্বস্ত কারো টাকা সরিয়ে ফেলেছিলে। কোন এক বড় ভাই রাস্তায় সবার সামনে চড় মেরে তোমার মাথায় ঝি ঝি করে দিয়েছিল।
সব কিছু মিলিয়েই তুমি। খেয়াল করে দেখবে, তুমি একটা ভুল কাজ করার পরেও নিজেকে কখনো ভুল বোঝো না। তুমি সব সময়ই নিজেকে অর্ধেক প্রকাশ কর আর অর্ধেক নিজের কাছে রাখো। তোমার এই নিজের কাছে রাখা অর্ধেক মানুষটাকে না জেনে কেউই তোমাকে সম্পূর্ণ ভালবাসতে পারবে না।
তোমার সুন্দর সুন্দর গল্প গুলো শুনে সবাই তোমার পাশে থাকবে। কিন্তু এরা কেউই আসলে তোমাকে চেনে না। তোমার যে অংশটি সুন্দর সেটা সবার কাছেই সুন্দর।
তোমার কুৎসিত নোংরা অংশটি জানার পর কেউই তোমার পাশে থাকবে না। তোমাকে এমন কাউকে খুঁজে বের করতে হবে যে তোমাকে আগাগোড়া জেনেই তোমার সাথে থাকবে।
লেখাটি লিখেছেনঃ-
মেয়েটা চুপচাপ বসে আছে হতবাক
হয়ে,অঝোরে চোখ দিয়ে জল পড়ছে।
তার কলেজ ড্রেসটা ভিজে যাচ্ছে
ছেলেটার রক্তে।কিছুক্ষন আগে
একটা রোড এক্সিডেন্ট হয়েছে।
মেয়েটা রাস্তার এইপারে
দাড়িয়ে ছিল।
ছেলেটা রাস্তা
পার হতে গিয়েছিল,কিন্তু গাড়ি
থেঁতলে দিয়েছে ছেলেটারে।
মেয়েটার কেউ না ছেলেটা,শুধু
একদিনই ছেলেটা বলেছিল
ভাললাগার কথা।
কিন্তু মেয়েটা পড়া ছাড়া কিছুই
বুঝত না,তাই রিজেক্ট করেছিল।
কিন্তু দুজনেই ভালো বন্ধু হয়ে
গিয়েছিল, দুজনেই এইচ এস সি প্রথম
বর্ষের। নোট আদান প্রদান
করত,প্র্যাকটিক্যাল এ হেল্প
করত,আড্ডা,গপ্প,গুজব হত। এভাবেই
কেটে যাচ্ছিল দিন গুলো।
হঠাত করেই কি থেকে কি হয়ে
গেল? সেদিন বলেছিল ছেলেটা
"তুই কলেজ শেষে তোর
প্র্যাক্টিকাল খাতা টা
দিস,ফটোকপি করুম" মেয়েটা বলছিল
"রামছাগল, টাইম মত কাম করস না
কেন? এক্সাম ঘাড়ে পড়লেই
প্র্যাক্টিকাল খাতার অস্তিত্ব মনে
পড়ে তোর।"
ছেলেটা হাসতে হাসতে বলল
"অস্তিত্বে অন্য কিছু মিশে আছে"
মেয়েটা চোখ পাকিয়ে বলল "দুর হ!
হারামী। খাতা নিয়া রেহাই দে
খাটাশ"
মাথা নাড়াইয়া,জ্বিব ভেংচি
কেটে বলল "হ হ!যামু যামু।"
কলেজ শেষে খাতাটা ফটোকপি
করে ফিরে আসতে যেয়ে সত্যই
ছেলেটা আর ফিরতে পারে নাই।
প্রচন্ড কষ্টে কাঁদছিল মেয়েটা। এ কষ্ট
একজন প্রচন্ড ভালো বন্ধুকে
হারানোর কষ্ট। প্রিয় এক বন্ধু হয়তো
এক অপরিণত ভালবাসা ও ছিল তা।
একটা বন্ধুত্বের,ভালোবাসার শেষ
হয়ে যাবার কষ্ট....
প্রায় ৭/৮ বছর হয়ে গেছে।তাও কখনো
কখনো মেয়েটার মনে পড়ে,কোথায়
যেন অজানা একটা কষ্ট খামচে ধরে।
কিন্তু এই কষ্টের কথাটা সে কারো
সাথে শেয়ার করবে না। কিছু কষ্টের
কথা কখনোই শেয়ার করা যায় না
;করা উচিত ও না,কখনোই না। কিছু
সত্য গোপন থাকা উচিত আজীবন।
নইলে নিজস্বতা বলে কিছু থাকে
না
দামাদামি শেষে গরুর মালিক ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় গরু দিতে রাজি হলেন। রতন সাহেব এবার খুব খুশি। ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনেছেন। এলাকার সবচে বড় কুরবানিটা উনিই দিচ্ছেন। মনে মনে প্র্যাক্টিস করছেন বারবার, লোকে দাম জিজ্ঞেস করলে কোন স্টাইলে বলবে। হাসিটা কেমন করে দিলে গরুর দামের সাথে মিলবে। এসব ভাবতে ভাবতে গরু নিয়ে বাসার দিকে হাঁটতে শুরু করলেন।
বাড়িতে ফোন করে বউকে বলে দিলেন, - 'হ্যালো শুনছো? গরু কেনা শেষ। সবাইকে বলে দিও, এবারে এলাকার সবচে বড় কুরবানিটা আমিই দিচ্ছি।' বউ আশপাশের বাসায় 'ভাবি-ভাবি' করে সেকি হুলুস্থুল কারবার। পরিবারের ছেলে মেয়েরা খবর পেয়ে বাড়ির গেইটে ভীড় করেছে। কখন গরু নিয়ে আসবে।
এদিকে গরুর হাটে ঘুরতে ঘুরতে রতন সাহেবের দামি জুতাটা নষ্ট হয়ে গেলো। কাদা-মাদা মেখে ভিজে-টিজে জুতার অবস্থা কাহিল। একপাশ ছিড়েও গেছে। রাত পোহালেই ঈদ। এলাকার সবচে বড় কুরবানিদাতার জুতার এই অবস্থা! বিষয়টা রতন সাহেব ভাবতেই পারছেন না। শেষ পর্যন্ত নতুন আরেকটা জুতাই কিনে নিলেন। এখন বেশ স্বস্তিতে হাঁটছেন তিনি। ইচ্ছে করেই গরুর সাথে পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন। আলাদা গেলে লোকে যদি আবার অন্য কাউকে মালিক ভেবে বসে! রাস্তায় কেউ দাম জিজ্ঞেস করলেও বলছেন। আবার না জিজ্ঞেস করলেও বলছেন। না বলে শান্তিই পাচ্ছেন না। এতগুলো টাকা খরচ করে কুরবানি দেয়া হচ্ছে, লোকে যদি না-ই জানলো। তবে আর লাভ কী!
গরু নিয়ে বাড়িতে আসতে আসতে প্রায় রাত হয়ে গেলো। ফলে আশপাশের তেমন কেউ গরু দেখতে এলো না। ফোন করে পরিচিত সবাইকে বলে রেখেছেন। সবাই সকালে আসবে গরু দেখতে। মোটামোটি সবাইকে দেখানোর পরেই গরুটা জবাই করবেন তিনি। ভাবছেন এবারের গরুটা বাড়ির সামনে জবাই না দিয়ে স্কুলের মাঠে সবার সাথে দিবেন। এতে গরুর দাম জানতে চাইবে অনেকে। চোখেও পড়বে ব্যপারটা।
রতন সাহেবের অস্থির অস্থির লাগছে। বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছেন। কখন সকাল হবে, প্রতিবেশীরা ভীড় করবে রতন সাহেবের গরু দেখার জন্য। সবাই গুনগুন করে বলবে, রতন সাহেবের গরুটাই এই এলাকার সবচে দামি। রতন সাহেব এসব কথা শুনেও না শুনার ভান করবেন। উল্টো সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলবেন, 'এবারে গরুর দাম তো বেশ কম যাচ্ছে...!' এসব ভাবতে ভাবতে রাত দুটা বেজে গেলো। রতন সাহেবের ঘুম আসলো না।
হঠাৎ শুনলেন, দরজায় ঠক ঠক শব্দ। অবাক হলেন না রতন সাহেব। গরুর দাম শুনে এই মধ্যরাতে কেউ আসতেই পারে। দরজাটা খুললেই তো বলবে, '- আহা রতন সাহেব, কি একখান গরু কিনলেন ভাই, কাঁপায়া দিলেন তো' মুচকি হাসতে হাসতে দরজা খুললেন রতন সাহেব। খুলেই অবাক হয়ে গেলেন। কারণ, উনার প্রতিবেশী কেউ আসেনি। বরং অপরিচিত একটা গ্রাম্য মানুষ এসেছে। চোখে-মুখে ঘাম। একটু পর পর চোখ মুছছে লোকটা। গায়ে ময়লা কাপড়। হাঁটু পর্যন্ত কাদা লেগে আছে। পায়ে জুতা নেই। তবে হাতে এক জোড়া স্যান্ডেল, ভাঁজ করে ধরে রেখেছে। সাথে ১১/১২ বছরে ছোট একটা ছেলে।
রতন সাহেব খুব বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
- কে আপনি?
- স্যার আমি আফনের গ্যারেজে রাখা গরুটার মালিক!
- মালিক মানে! আমি গতসন্ধ্যায় এত দাম দিয়ে কিনে নিয়ে এলাম, আর আপনি বলছেন 'গরুর মালিক!'
- না স্যার, আসলে আমি আগে এই গরুটার মালিক আছিলাম, মানে গতসন্ধ্যায় আমিই গরুটা আফনের কাছে বিক্রি করছি।
- ও আচ্ছা, তো এত রাতে কেনো আসছো? ভুল করে টাকা কম দিয়েছিলাম? নাকি জাল নোট পড়েছে?
গ্রাম্যলোকটা উত্তর না দিয়ে চুপ করে আছে। চোখ থেকে পানি পড়ছে অনবরত। রতন সাহেব কিছু বুঝতে পারছেন না। বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
- আরে কী হয়েছে বলবা তো! কাপড়-চোপড় লাগবে? নাকি আরও টাকা চাও?
- না স্যার, আসলে গরুটারে একটু দেখতে আসছিলাম। আমার পোলাডায় সারা রাইত কিছু খায়নাই। বারবার গরুটারে দেখতে চাইতেছে। তাই এই রাইতে ৯ মাইল হাঁইট্যা আসছি স্যার। হাঁটতে হাঁটতে স্যান্ডেলটা ছিইড়া গেলো। যদি কিছু মনে না করেন, আমারে একটু সুযোগ দিলে গরুটারে একটু দেইখ্যা যাইতাম।
রতন সাহেব নিস্তব্ধ হয়ে গেলেন। গ্যারেজ খুলে দিলেন। গ্রাম্য লোকটা ভেতরে ঢুকেই গরুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন। ছোট ছেলেটাও কাঁদছে আর লোকটাকে জড়িয়ে ধরে বলছে, 'বাজান, ওই স্যাররে ট্যাকা ফেরত দিয়া দেও, আমি গরু নিয়া যামু! বাজান! ও বাজান! আমি গরু নিয়া যামু'
গ্রাম্যলোকটা তার ছেলেকে কোনো উত্তর দিতে পারছে না। শুধু কেঁদেই যাচ্ছে। রতন সাহেব দূর থেকে চুপচাপ দেখে যাচ্ছেন সব। বেশ কিছুক্ষণ পরে দুজন বেরিয়ে এলো। চোখ মুছতে মুছতে বললো,
- স্যার, আফনেরে হুদাই কষ্ট দিলাম, মনে কিছু নিয়েন না।
- না না ঠিক আছে। তুমি কি রাতে খেয়েছো?
- জী স্যার, আল্লায় খাওয়াইছে।
- ও কি তোমার ছেলে?
- জী স্যার, আল্লার মাল একটা পোলাই। এইডারে পড়ালেখা করানোর জন্যই আদরের গরুটা বেইচ্যা দিলাম। গেলাম স্যার... দোয়া রাইখেন....
- একটু দাঁড়াও,
রতন সাহেব ঘর থেকে এক হাজার টাকার একটা নোট আনলেন। জোর করে ছোট ছেলেটার হাতে গুজে দিলেন নোটটা। বললেন, ঈদের দিন এসে বাসায় খেয়ে যেয়ো। বিদায় দিয়ে রতন সাহেব ভেতরে ঢুকতে গেলেন। লোকটা আবার চিৎকার করতে করতে দৌঁড়ে এলো,
- স্যার স্যার, আরেকটা কথা স্যার,
- হ্যা, বলো,
- জবাইয়ের আগে গরুটারে একটু আস্তে ফালায়েন স্যার... অনেক আদরের গরু তো.....
এতটুকু বলেই লোকটা আবার কেঁদে উঠলো। আবার কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে রতন সাহেবকে সালাম দিয়ে রাস্তার দিকে হাঁটতে শুরু করলো গ্রাম্যলোকটা। রতন সাহেব অনেক দিন পরে অনুভব করলেন, নিজের চোখ দিয়ে টপটপ পানি পড়ছে। ভেজা চোখ নিয়ে আর ভেতরে ঢুকলেন না। গেইটের গ্রিলে ভর করে নিশ্চুপ তাকিয়ে আছেন, সত্যিকারের কুরবানি দেয়া খালি পায়ের অচেনা মানুষটার দিকে.....
..........................................................
খালি পায়ের অচেনা মানুষ
- শাকীর এহসানুল্লাহ
★★★পরীক্ষায় নকল
করে অনেকে সফল। কিন্তু, হুবুহু নকল
করতে গিয়ে ভুল লেখার উদাহরণও
প্রচুর।
'
'
'
---পরীক্ষায় প্রশ্ন এলো– সম্রাট
শাহজাহান সম্বন্ধে দু-লাইনে লিখ।
'
'
'
---ক্লাসের ফার্স্টবয় লিখলো,
“যুদ্ধে হারিয়া শাহজাহান কখনোই
ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না।”
'
'
'
----তার ঠিক পেছনে বসে মফিজ
লিখলো... “যুদ্ধে হারিয়া সম্রাট
শাহজাহান কখনোই
জাঙ্গিয়া পড়িতেন
না"
আম্মুদের কিছু চিরন্তন বানী ---
১। এক কাজ কর মোবাইলের ভেতরেই
ঢুইকা যা।।
২। লাটিমের মত আর কত ঘুরবি? এইবার
যা একটু বইটা খোল।
৩। কালকেই
ফেরীওয়ালা ডেকে বইগুলো বেঁচে দিব।
৪। এইবার রেজাল্ট খারাপ
হলে রিকসা কিনা দিব।
৫। খাওয়াইয়ে পড়ায়ে ছাগল
মানুষ
করতাছি।
৬। এতmobile টিপিস তা তর আঙ্গুল
ব্যাথা করে না?
৭। সকাল ৭ টা বাজে আর কত ঘুমাবি!
৮।
গোছলে যাইয়া ঘুমাইয়া গেছিলি নাকি?
৯। এই কয়টা ভাত খাইলে মানুষ
হওয়া যায়?
১০। এতক্ষন কই ছিলি! আজকে তোর ওই
বন্ধুর
বাড়িতেই যা, দেখ
তোরে খাইতে দেয়
কিনা।
১১। গন্ধ কিসের রে?
বিড়িটিরি খাইছিস নাকি??
কিন্তু এত কিছুর পরও মা তো মা ই।।
শী ইজ
এক্সেপশনাল!
একদিন রিকশা ওয়ালাকে ভাড়া দেবার সময় রিকশাওয়ালার গা থেকে আধা লিটার ঘাম ঝড়তে দেখে তুমি তাকে বাসায় নিয়ে বসিয়ে দুটা ভাত খাইয়েছো।
এইসব গল্প কাছের মানুষটাকে বলতে তোমার ভাল লাগে। মানুষটা এইসব শুনে তোমাকে নিয়ে মনে মনে এক ধরনের অহংবোধও করে। তোমার অবচেতন মন তোমাকে দিয়ে এই কাজ গুলো করিয়ে নেয়। এই মনটা সব সময় চায় সবাই তোমাকে অন্যরকম কিছু একটা ভাবুক। তোমার ভেতরে একটা শান্তি শান্তি ভাব হয়।
তোমার জীবনে খুব বিচ্ছিরী কিছু স্মৃতিও আছে। তুমি অনেক বছর আগে একদিন দরজার ফাঁক দিয়ে লুকিয়ে কোন ললনাকে দেখে কামনা করেছিলে। তুমি একদিন খুব বিশ্বস্ত কারো টাকা সরিয়ে ফেলেছিলে। কোন এক বড় ভাই রাস্তায় সবার সামনে চড় মেরে তোমার মাথায় ঝি ঝি করে দিয়েছিল।
সব কিছু মিলিয়েই তুমি। খেয়াল করে দেখবে, তুমি একটা ভুল কাজ করার পরেও নিজেকে কখনো ভুল বোঝো না। তুমি সব সময়ই নিজেকে অর্ধেক প্রকাশ কর আর অর্ধেক নিজের কাছে রাখো। তোমার এই নিজের কাছে রাখা অর্ধেক মানুষটাকে না জেনে কেউই তোমাকে সম্পূর্ণ ভালবাসতে পারবে না।
তোমার সুন্দর সুন্দর গল্প গুলো শুনে সবাই তোমার পাশে থাকবে। কিন্তু এরা কেউই আসলে তোমাকে চেনে না। তোমার যে অংশটি সুন্দর সেটা সবার কাছেই সুন্দর।
তোমার কুৎসিত নোংরা অংশটি জানার পর কেউই তোমার পাশে থাকবে না। তোমাকে এমন কাউকে খুঁজে বের করতে হবে যে তোমাকে আগাগোড়া জেনেই তোমার সাথে থাকবে।
লেখাটি লিখেছেনঃ-
মেয়েটা চুপচাপ বসে আছে হতবাক
হয়ে,অঝোরে চোখ দিয়ে জল পড়ছে।
তার কলেজ ড্রেসটা ভিজে যাচ্ছে
ছেলেটার রক্তে।কিছুক্ষন আগে
একটা রোড এক্সিডেন্ট হয়েছে।
মেয়েটা রাস্তার এইপারে
দাড়িয়ে ছিল।
ছেলেটা রাস্তা
পার হতে গিয়েছিল,কিন্তু গাড়ি
থেঁতলে দিয়েছে ছেলেটারে।
মেয়েটার কেউ না ছেলেটা,শুধু
একদিনই ছেলেটা বলেছিল
ভাললাগার কথা।
কিন্তু মেয়েটা পড়া ছাড়া কিছুই
বুঝত না,তাই রিজেক্ট করেছিল।
কিন্তু দুজনেই ভালো বন্ধু হয়ে
গিয়েছিল, দুজনেই এইচ এস সি প্রথম
বর্ষের। নোট আদান প্রদান
করত,প্র্যাকটিক্যাল এ হেল্প
করত,আড্ডা,গপ্প,গুজব হত। এভাবেই
কেটে যাচ্ছিল দিন গুলো।
হঠাত করেই কি থেকে কি হয়ে
গেল? সেদিন বলেছিল ছেলেটা
"তুই কলেজ শেষে তোর
প্র্যাক্টিকাল খাতা টা
দিস,ফটোকপি করুম" মেয়েটা বলছিল
"রামছাগল, টাইম মত কাম করস না
কেন? এক্সাম ঘাড়ে পড়লেই
প্র্যাক্টিকাল খাতার অস্তিত্ব মনে
পড়ে তোর।"
ছেলেটা হাসতে হাসতে বলল
"অস্তিত্বে অন্য কিছু মিশে আছে"
মেয়েটা চোখ পাকিয়ে বলল "দুর হ!
হারামী। খাতা নিয়া রেহাই দে
খাটাশ"
মাথা নাড়াইয়া,জ্বিব ভেংচি
কেটে বলল "হ হ!যামু যামু।"
কলেজ শেষে খাতাটা ফটোকপি
করে ফিরে আসতে যেয়ে সত্যই
ছেলেটা আর ফিরতে পারে নাই।
প্রচন্ড কষ্টে কাঁদছিল মেয়েটা। এ কষ্ট
একজন প্রচন্ড ভালো বন্ধুকে
হারানোর কষ্ট। প্রিয় এক বন্ধু হয়তো
এক অপরিণত ভালবাসা ও ছিল তা।
একটা বন্ধুত্বের,ভালোবাসার শেষ
হয়ে যাবার কষ্ট....
প্রায় ৭/৮ বছর হয়ে গেছে।তাও কখনো
কখনো মেয়েটার মনে পড়ে,কোথায়
যেন অজানা একটা কষ্ট খামচে ধরে।
কিন্তু এই কষ্টের কথাটা সে কারো
সাথে শেয়ার করবে না। কিছু কষ্টের
কথা কখনোই শেয়ার করা যায় না
;করা উচিত ও না,কখনোই না। কিছু
সত্য গোপন থাকা উচিত আজীবন।
নইলে নিজস্বতা বলে কিছু থাকে
না
দামাদামি শেষে গরুর মালিক ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় গরু দিতে রাজি হলেন। রতন সাহেব এবার খুব খুশি। ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনেছেন। এলাকার সবচে বড় কুরবানিটা উনিই দিচ্ছেন। মনে মনে প্র্যাক্টিস করছেন বারবার, লোকে দাম জিজ্ঞেস করলে কোন স্টাইলে বলবে। হাসিটা কেমন করে দিলে গরুর দামের সাথে মিলবে। এসব ভাবতে ভাবতে গরু নিয়ে বাসার দিকে হাঁটতে শুরু করলেন।
বাড়িতে ফোন করে বউকে বলে দিলেন, - 'হ্যালো শুনছো? গরু কেনা শেষ। সবাইকে বলে দিও, এবারে এলাকার সবচে বড় কুরবানিটা আমিই দিচ্ছি।' বউ আশপাশের বাসায় 'ভাবি-ভাবি' করে সেকি হুলুস্থুল কারবার। পরিবারের ছেলে মেয়েরা খবর পেয়ে বাড়ির গেইটে ভীড় করেছে। কখন গরু নিয়ে আসবে।
এদিকে গরুর হাটে ঘুরতে ঘুরতে রতন সাহেবের দামি জুতাটা নষ্ট হয়ে গেলো। কাদা-মাদা মেখে ভিজে-টিজে জুতার অবস্থা কাহিল। একপাশ ছিড়েও গেছে। রাত পোহালেই ঈদ। এলাকার সবচে বড় কুরবানিদাতার জুতার এই অবস্থা! বিষয়টা রতন সাহেব ভাবতেই পারছেন না। শেষ পর্যন্ত নতুন আরেকটা জুতাই কিনে নিলেন। এখন বেশ স্বস্তিতে হাঁটছেন তিনি। ইচ্ছে করেই গরুর সাথে পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন। আলাদা গেলে লোকে যদি আবার অন্য কাউকে মালিক ভেবে বসে! রাস্তায় কেউ দাম জিজ্ঞেস করলেও বলছেন। আবার না জিজ্ঞেস করলেও বলছেন। না বলে শান্তিই পাচ্ছেন না। এতগুলো টাকা খরচ করে কুরবানি দেয়া হচ্ছে, লোকে যদি না-ই জানলো। তবে আর লাভ কী!
গরু নিয়ে বাড়িতে আসতে আসতে প্রায় রাত হয়ে গেলো। ফলে আশপাশের তেমন কেউ গরু দেখতে এলো না। ফোন করে পরিচিত সবাইকে বলে রেখেছেন। সবাই সকালে আসবে গরু দেখতে। মোটামোটি সবাইকে দেখানোর পরেই গরুটা জবাই করবেন তিনি। ভাবছেন এবারের গরুটা বাড়ির সামনে জবাই না দিয়ে স্কুলের মাঠে সবার সাথে দিবেন। এতে গরুর দাম জানতে চাইবে অনেকে। চোখেও পড়বে ব্যপারটা।
রতন সাহেবের অস্থির অস্থির লাগছে। বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছেন। কখন সকাল হবে, প্রতিবেশীরা ভীড় করবে রতন সাহেবের গরু দেখার জন্য। সবাই গুনগুন করে বলবে, রতন সাহেবের গরুটাই এই এলাকার সবচে দামি। রতন সাহেব এসব কথা শুনেও না শুনার ভান করবেন। উল্টো সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলবেন, 'এবারে গরুর দাম তো বেশ কম যাচ্ছে...!' এসব ভাবতে ভাবতে রাত দুটা বেজে গেলো। রতন সাহেবের ঘুম আসলো না।
হঠাৎ শুনলেন, দরজায় ঠক ঠক শব্দ। অবাক হলেন না রতন সাহেব। গরুর দাম শুনে এই মধ্যরাতে কেউ আসতেই পারে। দরজাটা খুললেই তো বলবে, '- আহা রতন সাহেব, কি একখান গরু কিনলেন ভাই, কাঁপায়া দিলেন তো' মুচকি হাসতে হাসতে দরজা খুললেন রতন সাহেব। খুলেই অবাক হয়ে গেলেন। কারণ, উনার প্রতিবেশী কেউ আসেনি। বরং অপরিচিত একটা গ্রাম্য মানুষ এসেছে। চোখে-মুখে ঘাম। একটু পর পর চোখ মুছছে লোকটা। গায়ে ময়লা কাপড়। হাঁটু পর্যন্ত কাদা লেগে আছে। পায়ে জুতা নেই। তবে হাতে এক জোড়া স্যান্ডেল, ভাঁজ করে ধরে রেখেছে। সাথে ১১/১২ বছরে ছোট একটা ছেলে।
রতন সাহেব খুব বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
- কে আপনি?
- স্যার আমি আফনের গ্যারেজে রাখা গরুটার মালিক!
- মালিক মানে! আমি গতসন্ধ্যায় এত দাম দিয়ে কিনে নিয়ে এলাম, আর আপনি বলছেন 'গরুর মালিক!'
- না স্যার, আসলে আমি আগে এই গরুটার মালিক আছিলাম, মানে গতসন্ধ্যায় আমিই গরুটা আফনের কাছে বিক্রি করছি।
- ও আচ্ছা, তো এত রাতে কেনো আসছো? ভুল করে টাকা কম দিয়েছিলাম? নাকি জাল নোট পড়েছে?
গ্রাম্যলোকটা উত্তর না দিয়ে চুপ করে আছে। চোখ থেকে পানি পড়ছে অনবরত। রতন সাহেব কিছু বুঝতে পারছেন না। বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
- আরে কী হয়েছে বলবা তো! কাপড়-চোপড় লাগবে? নাকি আরও টাকা চাও?
- না স্যার, আসলে গরুটারে একটু দেখতে আসছিলাম। আমার পোলাডায় সারা রাইত কিছু খায়নাই। বারবার গরুটারে দেখতে চাইতেছে। তাই এই রাইতে ৯ মাইল হাঁইট্যা আসছি স্যার। হাঁটতে হাঁটতে স্যান্ডেলটা ছিইড়া গেলো। যদি কিছু মনে না করেন, আমারে একটু সুযোগ দিলে গরুটারে একটু দেইখ্যা যাইতাম।
রতন সাহেব নিস্তব্ধ হয়ে গেলেন। গ্যারেজ খুলে দিলেন। গ্রাম্য লোকটা ভেতরে ঢুকেই গরুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন। ছোট ছেলেটাও কাঁদছে আর লোকটাকে জড়িয়ে ধরে বলছে, 'বাজান, ওই স্যাররে ট্যাকা ফেরত দিয়া দেও, আমি গরু নিয়া যামু! বাজান! ও বাজান! আমি গরু নিয়া যামু'
গ্রাম্যলোকটা তার ছেলেকে কোনো উত্তর দিতে পারছে না। শুধু কেঁদেই যাচ্ছে। রতন সাহেব দূর থেকে চুপচাপ দেখে যাচ্ছেন সব। বেশ কিছুক্ষণ পরে দুজন বেরিয়ে এলো। চোখ মুছতে মুছতে বললো,
- স্যার, আফনেরে হুদাই কষ্ট দিলাম, মনে কিছু নিয়েন না।
- না না ঠিক আছে। তুমি কি রাতে খেয়েছো?
- জী স্যার, আল্লায় খাওয়াইছে।
- ও কি তোমার ছেলে?
- জী স্যার, আল্লার মাল একটা পোলাই। এইডারে পড়ালেখা করানোর জন্যই আদরের গরুটা বেইচ্যা দিলাম। গেলাম স্যার... দোয়া রাইখেন....
- একটু দাঁড়াও,
রতন সাহেব ঘর থেকে এক হাজার টাকার একটা নোট আনলেন। জোর করে ছোট ছেলেটার হাতে গুজে দিলেন নোটটা। বললেন, ঈদের দিন এসে বাসায় খেয়ে যেয়ো। বিদায় দিয়ে রতন সাহেব ভেতরে ঢুকতে গেলেন। লোকটা আবার চিৎকার করতে করতে দৌঁড়ে এলো,
- স্যার স্যার, আরেকটা কথা স্যার,
- হ্যা, বলো,
- জবাইয়ের আগে গরুটারে একটু আস্তে ফালায়েন স্যার... অনেক আদরের গরু তো.....
এতটুকু বলেই লোকটা আবার কেঁদে উঠলো। আবার কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে রতন সাহেবকে সালাম দিয়ে রাস্তার দিকে হাঁটতে শুরু করলো গ্রাম্যলোকটা। রতন সাহেব অনেক দিন পরে অনুভব করলেন, নিজের চোখ দিয়ে টপটপ পানি পড়ছে। ভেজা চোখ নিয়ে আর ভেতরে ঢুকলেন না। গেইটের গ্রিলে ভর করে নিশ্চুপ তাকিয়ে আছেন, সত্যিকারের কুরবানি দেয়া খালি পায়ের অচেনা মানুষটার দিকে.....
..........................................................
খালি পায়ের অচেনা মানুষ
- শাকীর এহসানুল্লাহ
★★★পরীক্ষায় নকল
করে অনেকে সফল। কিন্তু, হুবুহু নকল
করতে গিয়ে ভুল লেখার উদাহরণও
প্রচুর।
'
'
'
---পরীক্ষায় প্রশ্ন এলো– সম্রাট
শাহজাহান সম্বন্ধে দু-লাইনে লিখ।
'
'
'
---ক্লাসের ফার্স্টবয় লিখলো,
“যুদ্ধে হারিয়া শাহজাহান কখনোই
ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না।”
'
'
'
----তার ঠিক পেছনে বসে মফিজ
লিখলো... “যুদ্ধে হারিয়া সম্রাট
শাহজাহান কখনোই
জাঙ্গিয়া পড়িতেন
না"
আম্মুদের কিছু চিরন্তন বানী ---
১। এক কাজ কর মোবাইলের ভেতরেই
ঢুইকা যা।।
২। লাটিমের মত আর কত ঘুরবি? এইবার
যা একটু বইটা খোল।
৩। কালকেই
ফেরীওয়ালা ডেকে বইগুলো বেঁচে দিব।
৪। এইবার রেজাল্ট খারাপ
হলে রিকসা কিনা দিব।
৫। খাওয়াইয়ে পড়ায়ে ছাগল
মানুষ
করতাছি।
৬। এতmobile টিপিস তা তর আঙ্গুল
ব্যাথা করে না?
৭। সকাল ৭ টা বাজে আর কত ঘুমাবি!
৮।
গোছলে যাইয়া ঘুমাইয়া গেছিলি নাকি?
৯। এই কয়টা ভাত খাইলে মানুষ
হওয়া যায়?
১০। এতক্ষন কই ছিলি! আজকে তোর ওই
বন্ধুর
বাড়িতেই যা, দেখ
তোরে খাইতে দেয়
কিনা।
১১। গন্ধ কিসের রে?
বিড়িটিরি খাইছিস নাকি??
কিন্তু এত কিছুর পরও মা তো মা ই।।
শী ইজ
এক্সেপশনাল!
bangla koster sms
bangla love sms girlfriend
1000+ bangla love sms
bangla love sms bangla premer sms
bangla poem sms
bangla funny sms
love sms bangla 2016
love sms bangla text messages
Cute Pic with cute persons. It is fun in doing such type of stuffs.If Some need more Bangla Funny Picture like this then go to this website ………. www.banglafunnypicture .com
ReplyDelete